
রয়টার্স বলেছে, একই বিষয়ে দ্বিতীয়বার অভিযোগ উঠল হেগসেথের বিরুদ্ধে। যে সময়ে সাংবাদিককে গ্রুপে যোগ করেছিলেন হেগসেথ, প্রায় একই সময়ে তিনি স্ত্রী, বন্ধুদের সঙ্গেও মার্কিন সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের গোপনীয়তা এবং কর্তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আরও পড়ুন: ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা, নিহত ১২
একাধিক সূত্র উল্লেখ করে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হেগসেথ তার স্ত্রী, ভাই এবং ব্যক্তিগত আইনজীবীর সঙ্গে এই তথ্য শেয়ার করেন। নিজের ব্যক্তিগত ফোনে একটি কথোপকথনের অ্যাপে ‘গ্রুপ’ খুলেছিলেন হেগসেথ। তাতে সদস্য হিসেবে ছিলেন তার স্ত্রী, ভাই, এক আইনজীবী বন্ধু এবং ঘনিষ্ঠ আরও কয়েকজন।
দফতরের কাজে গোপনীয়তা রক্ষার জন্য হোয়াইট হাউস থেকে কর্তাদের আলাদা মোবাইল দেয়া হয়। স্ত্রী, বন্ধুর সঙ্গে আলোচনার সময়ে সেই ফোন ব্যবহার করেননি হেগসেথ। অভিযোগ, কীভাবে কখন কোন বিমান ইয়েমেনে হুথি ঘাঁটি লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করবে, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছিল ওই ব্যক্তিগত ‘চ্যাটে’।
আরও পড়ুন: গাজায় ১৫ চিকিৎসাকর্মীকে হত্যা: ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বললো ইসরাইল
রয়টার্স বলেছে, হেগসেথের সেই ‘গ্রুপ’-এর নাম ‘ডিফেন্স । টিম হাড্ল’। অন্তত ১২ জন সদস্য রয়েছেন তাতে। হেগসেথের স্ত্রী ফক্স নিউজের সাবেক প্রযোজক। অভিযোগ, সামরিক ক্ষেত্রের একাধিক গোপন এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনিও হেগসেথের সঙ্গে ছিলেন। এছাড়া হেগসেথের ভাই পেন্টাগনের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের একজন লিয়াজোঁ।
এর আগে সাংবাদিককে গ্রুপে যুক্ত করার ফলে যে তথ্য ফাঁস হয়েছিল, মার্কিন আদালত সেই ‘চ্যাট’ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস।